গত ১৮ মার্চ সকালে ফতুল্লা থানাধীন আলীগঞ্জ পূর্বপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত কক্ষ থেকে সাবিনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি বিশেষ ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছায়া তদন্ত শুরু করে।
তদন্তে নেমে পিবিআই জেলা ইউনিটের চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একই দিন রাতে আলীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে মূল অভিযুক্ত ও নিহতের স্বামী রনিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই সে তার স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া নিয়ে সন্দেহ ও পারিবারিক কলহ চলছিল। ঘটনার রাতে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে রনি তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর আলামত গোপনের উদ্দেশ্যে পাশের একটি পরিত্যক্ত কক্ষে মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃত রনিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে সে আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।
পিবিআই সূত্র জানায়, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি। আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এই ঘটনায় অন্য কারো সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফতুল্লা থানায় দায়েরকৃত এই হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনো অব্যাহত রয়েছে।
মতামত