স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুর রহমান হাবিব ও মেহেদী হাসান গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সকালে উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে। এরপর দুপুরে দুই পক্ষই শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এক পর্যায়ে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং বেশ কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণের শব্দ শোনা যায়।
সংঘর্ষ চলাকালে জেলা বিএনপির আহ্বায়কের অফিস ভাঙচুর করা হয়। এছাড়া বিক্ষুব্ধরা অন্তত ৩০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে এবং কয়েকটিতে অগ্নিসংযোগ করে। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
ঈশ্বরদীর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে পুলিশ। এ সময় উভয় পক্ষের ছোঁড়া ইট পাটকেলের আঘাতে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব অভিযোগ করেন, মেহেদী হাসান ও তার ভাইয়েরা মাদক ব্যবসা এবং চাঁদাবাজিতে জড়িত। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ মিছিলে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।
অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মেহেদী হাসান ও তার ভাই জাকারিয়া পিন্টুর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
মতামত