এর আগে, গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দুই সন্তানের জনক ব্যবসায়ী জুয়েলকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরের সেলিম মোল্লার জমিতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই সোহেল রানা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ৯ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন, সীমান্ত (২৪), রাকিবুল ইসলাম (২৩), গুন্ডা খোকন (৩৮), ইশাত (২৩), ইনসান (২৪), ফাহিম (২২), আশিক (২৪), টিটু (৩৫) এবং আল আমিন (৪২)। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই এসব চিহ্নিত অপরাধীরা গ্রেপ্তার এড়াতে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছে।
মামলার বাদী জানান, স্থানীয় তাওলাদ মিয়ার দুই ছেলে টিটু ও আল আমিনের সাথে জুয়েলের দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। হত্যাকাণ্ডের কিছুদিন আগে থেকেই তারা জুয়েলকে প্রাণনাশের হুমকিসহ নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে ডেকে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুততম সময়ে হত্যায় জড়িত তানজিদকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। মামলার পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মতামত