বহিষ্কৃতরা হলেন, মামুন, কাওসার, শ্রী নিতাই ও মো. দেলোয়ার হোসেন। তারা সবাই জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনির অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে জেলা পরিষদে স্বেচ্ছায় রক্তদান, বৃক্ষমেলা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান চলাকালে জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনির সঙ্গে ওকিল উদ্দিন ভূঁইয়ার তর্কাতর্কি হয়। পরে জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা বসে বিষয়টি সমাধান করে দেন। তবে ওকিল উদ্দিন ভূঁইয়া কক্ষ থেকে নিচে নামলে রনির অনুসারী যুবদল কর্মীরা তাকে একা পেয়ে ব্যাপক মারধর করে এবং তার পোশাক ছিঁড়ে ফেলে। পরে অন্য নেতারা এসে তাকে উদ্ধার করেন।
ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা ওকিল উদ্দিন ভূঁইয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মিলমিশ হওয়ার পরও রনির অনুসারীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা করেছে। আমি এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেব।
জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি বলেন, আমাদের মধ্যকার ভুল বোঝাবুঝি সমাধানের পর কিছু অতিউৎসাহী কর্মী এই অনাকাক্সিক্ষত ঘটনাটি ঘটিয়েছে। সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত চারজনকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করা হয়েছে।
জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, বিএনপিতে কোনো সন্ত্রাসীর প্রশ্রয় নেই। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতামত