বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (৫ জুন) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১১ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। বিজিবি তাৎক্ষণিকভাবে পুশইন প্রতিহত করলে তারা দুই দেশের মধ্যবর্তী শূন্যরেখায় (নো-ম্যানস ল্যান্ড) আটকা পড়েন। পুশইনের শিকারদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৪ জন শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে একজন ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং একজন শিশু প্রতিবন্ধী। প্রচণ্ড রোদ-বৃষ্টির মধ্যে খোলা আকাশের নিচে খাদ্য, পানি ও চিকিৎসাসেবার অভাবে তারা মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন।
৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, বিজিবির পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে এই অবৈধ পুশইনের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী যথাযথ প্রমাণসহ বাংলাদেশি নাগরিকদের হস্তান্তর করা হলে আমরা গ্রহণ করব। তবে কোনো ধরনের অবৈধ পুশইন মেনে নেওয়া হবে না। ভুক্তভোগী এক শিশু জানায়, তারা ভারতের কলকাতায় বসবাস করত। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের আটক করে ১২ দিন বিভিন্ন সীমান্তে ঘোরানোর পর এখানে এনে ছেড়ে দেয়।
মানবিক কারণে স্থানীয় গ্রামবাসীরা কিছু শুকনো খাবার ও পানি পৌঁছে দিলেও তা পর্যাপ্ত নয়। দীর্ঘ সময় আটকে থাকায় শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। সীমান্তবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে এই মানবিক সংকটের দ্রুত কূটনৈতিক ও স্থায়ী সমাধান দাবি করেছেন।
মতামত