রংপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টির পানিতে আলু, খিরা ও পেঁয়াজ ক্ষেতে হাঁটু সমান পানি জমেছে। এছাড়া বাতাসে ভুট্টা, সরিষা ও গম গাছ মাটিতে নুয়ে পড়েছে। অনেক কৃষককে সেচ পাম্প বা বালতি দিয়ে জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
উপজেলার মহিপুর গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, অনেক স্বপ্ন নিয়ে ১৫ হাজার টাকা খরচ করে এক বিঘা জমিতে খিরা চাষ করেছিলেন। আজই খিরা তোলার কথা ছিল, কিন্তু সকালে গিয়ে দেখেন পুরো খেত পানির নিচে। একই গ্রামের কৃষক রশিদ ও সাগর জানান, অপরিপক্ক গম গাছ নুয়ে পড়ায় ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কায় আছেন তারা। ধান ও সবজি বিক্রি করে ঈদের কেনাকাটার যে স্বপ্ন কৃষকরা দেখেছিলেন, এই অকাল বৃষ্টিতে তাতে যেন গুড়েবালি পড়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, আকস্মিক এই বৃষ্টিতে নিচু জমির ফসলের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। কৃষকদের দ্রুত জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যত দ্রুত পানি সরিয়ে ফেলা যাবে, ক্ষতির পরিমাণ তত কমানো সম্ভব হবে।
মতামত