দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে জন্ম নেওয়া তরুণ পারিবারিক সূত্রেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে জেলার ছাত্ররাজনীতিতে তিনি এক পরিচিত মুখ। বিগত সরকারের আমলে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে একাধিকবার কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এই ছাত্রনেতা।
পাবনা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ নেতা-কর্মীদের মতে, তরুণ তৃণমূলের কর্মীদের ভাষা বোঝেন এবং বিপদে-আপদে পাশে থাকেন। একজন কর্মী তাকে হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার সঙ্গে তুলনা করে বলেন, রাজপথের লড়াইয়ে তার সাহসী ভূমিকা আমাদের অনুপ্রাণিত করে।
দলের সিনিয়র নেতারাও তরুণ সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেন। তাদের মতে, মেধাবী ও ত্যাগী এই নেতা নেতৃত্বে এলে জেলা ছাত্রদল আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে।
নিজের লক্ষ্য ও অঙ্গীকার নিয়ে মাহবুব ইসলাম তরুণ বলেন, পদ পাওয়া ভাগ্যের বিষয়। তবে আমি সুযোগ পেলে পাবনা জেলা ছাত্রদলকে একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী সংগঠনে রূপান্তর করব। শহীদ জিয়ার আদর্শ এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে কাজ করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও যোগ করেন, ছাত্রদল কোনো সন্ত্রাসী সংগঠন নয়, বরং এটি আদর্শ ও ন্যায়ের প্রতীক। নির্বাচিত হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সুস্থ ধারার ছাত্ররাজনীতি ফিরিয়ে আনতে তিনি বদ্ধপরিকর।
মতামত