সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, জনি বিশ্বাসের স্ত্রী ময়না বেগমের সঙ্গে স্থানীয় সাবেক ছাত্রদল নেতা সৈয়দ আহাদের দীর্ঘদিনের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে ময়না বেগম ঘরবাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। এ ঘটনায় গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর হরিণটানা থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছিলেন স্বামী জনি বিশ্বাস।
লিখিত বক্তব্যে ফাহিম আরও জানান, গত ১০ মার্চ রাতে নানা বাড়িতে ওষুধ আনতে গিয়ে তিনি তার মা ও আহাদকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন। এসময় আহাদ পালাতে গিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হলে স্থানীয়রা তাকে ধরে গণধোলাই দেয়। পরে বাজার কমিটির সহায়তায় পুলিশ উভয়কে স্বজনদের জিম্মায় দেয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত আহাদ এখন উল্টো মিথ্যা মামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এই হয়রানি থেকে বাঁচতে এবং জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
মতামত