নিহত জুয়েল শান্তিনগর এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জুয়েল এলাকায় মাদক কারবার ও শীতলক্ষ্যা নদীতে বালুবাহী বাল্কহেডসহ পণ্যবাহী নৌযানে চাঁদাবাজি চক্রের সদস্য ছিলেন।
জানা যায়, সোমবার রাতে ওই এলাকায় পুলিশের একটি অভিযানের সময় কয়েকজন যুবকের সঙ্গে জুয়েলের বাগবিতণ্ডা হয়। এর জেরে মঙ্গলবার দুপুরে প্রতিপক্ষরা জুয়েলের অফিসে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। একপর্যায়ে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ফেলে রেখে যায় হামলাকারীরা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ সদর ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে নিহতের বড় ভাই সোহেল দাবি করেন, জুয়েল এলাকার কয়েকজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে বাধা দেওয়ায় এই বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে তাকে পরিকল্পিতভাবে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। বোন ঝুমা আক্তার জানান, মদনগঞ্জ ছৈয়ালবাড়ী ঘাট এলাকার সন্ত্রাসীরা তার ভাইয়ের ওপর এই হামলা চালিয়েছে।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাজমুল আলম জানান, মাথার পেছনে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে আনার পথেই জুয়েলের মৃত্যু হয়েছে।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শান্তিনগর এলাকার আকাশ ও আশিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মতামত