ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে এবং জানায়, হামলায় কোনো গুরুতর আহতের তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে বলা হচ্ছে, আঘাতটি সরাসরি স্কুল ভবনের ওপর পড়েছিল।
এটি এমন একটি সময়ে ঘটেছে যখন ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যেকার উত্তেজনা ইতোমধ্যে পূর্বে থেকেই বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুকে সামরিক হামলার উদ্দেশ্যে লক্ষ্য করে অভিযান চালাচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে এবং এর প্রেক্ষিতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপসহ উভয় দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এ ধরনের আক্রমণের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। ইসরায়েল তার হামলা ‘সামরিক বা নিরাপত্তা প্রয়োজন’ হিসেবে দাবি করলেও, এমন বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুর ওপর আক্রমণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
এ পর্যন্ত নিহত পাঁচ শিশুর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই ঘটনার নিন্দা ও তদন্তের দাবিও উঠছে।
মতামত