শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় স্বামীর বাড়ি থেকে প্রিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
প্রিয়ার বাবা গফুর ভূঁইয়া কান্নায় ভেঙে পড়ে জানান, বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও শাশুড়ি প্রিয়াকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। স্বামী মেসবাহ উদ্দিন রানা মাদকাসক্ত ছিলেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন। ঘটনার দিন মাগরিবের কিছুক্ষণ আগেও প্রিয়া তার অসুস্থ মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার তাগাদা দিয়েছিলেন। এর কিছুক্ষণ পরেই তার মৃত্যুর সংবাদ আসে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রিয়ার শাশুড়ি স্থানীয় সংরক্ষিত ওয়ার্ডের তিনবারের সাবেক ইউপি সদস্য। প্রভাব খাটিয়ে প্রায়ই মেয়ের ওপর নির্যাতন চালানো হতো। প্রিয়ার বাবা বলেন, এটি হত্যা হোক বা প্ররোচিত আত্মহত্যা যাদের কারণে আমার মেয়েকে দুনিয়া ছাড়তে হয়েছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মতামত