হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত তিন মাস আগে সংগৃহীত ৪০০ পিস টিকার মজুদ ২৫ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে যায়। বিরামপুর উপজেলাটি সীমান্তবর্তী ও কেন্দ্রস্থলে হওয়ায় পার্শ্ববর্তী হাকিমপুর, নবাবগঞ্জ ও ফুলবাড়ী উপজেলার রোগীরাও এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন, যার ফলে দ্রুত মজুদ ফুরিয়ে যায়। সচ্ছল রোগীরা দোকান থেকে চড়া দামে টিকা কিনলেও দরিদ্র রোগীরা পড়েছেন বিপাকে। তাদের ২০-২৫ কিলোমিটার দূরে অন্য হাসপাতালে ছুটতে হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. শাহরিয়ার পারভেজ জানান, টিকার সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। স্থানীয়ভাবে টেন্ডারের মাধ্যমে টিকা কেনার প্রক্রিয়া চলছে, যা শেষ না হওয়া পর্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে টিকা আনার কোনো সম্ভাবনা নেই।
মতামত