গত বছরের ৩০ আগস্ট কাঞ্চন মালা তাঁর ছেলে ও পুত্রবধূর হাতে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নজরে আসার পর ইউএনও রিজু তামান্না তৎক্ষণাৎ ওই বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। তবে তাঁর থাকার মতো কোনো ঘর না থাকায় জেলা প্রশাসকের বিশেষ টিআর প্রকল্পের আওতায় এই স্থায়ী ঘরটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
ঘর বুঝে পেয়ে আবেগাপ্লুত কাঞ্চন মালা জানান, এতদিন ভাঙা ঘরে রোদ-বৃষ্টিতে কষ্ট করেছি, এখন অন্তত নিরাপদে শান্তিতে ঘুমানোর একটা জায়গা হলো।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিজু তামান্না বলেন, নির্যাতনের খবরটি জানার পর থেকেই আমরা ওই মায়ের পাশে দাঁড়িয়েছি। জীবনের শেষ সময়টুকু যাতে তিনি সম্মানের সাথে কাটাতে পারেন, সেজন্যই এই ঘরের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুলতান হোসেন এবং ধোপাদহ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ ছানা।
মতামত