তবে ঈদের ছুটির কারণে রাস্তায় মানুষের চলাচল কম থাকায় এক ভয়াবহ প্রাণহানি ও বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছে এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ড্রেনে গ্যাস জমে ছিল। শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় পেয়ারা বেগমের বাড়ির রান্নাঘর ও বাথরুমের ছাদটি সমূলে উপড়ে গিয়ে পাশের রাস্তার ওপর পড়ে।
খবর পেয়ে আদমজী ইপিজেড ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, বদ্ধ স্থানে জমে থাকা গ্যাস থেকেই এই বিস্ফোরণের সূত্রপাত।
আদমজী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মিরন মিয়া জানান, গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে মূলত এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে বাড়িটির আংশিক ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আজ ঈদের দিন হওয়ায় এবং এলাকায় মানুষের উপস্থিতি কম থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
বিস্ফোরণের পর এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা বিরাজ করলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকায় গ্যাস লাইনের লিকেজ মেরামতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মতামত