এর আগে, রোববার (১০ মে) ভোরে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ৯ তলা ভবনের নিচতলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দগ্ধ অন্য চারজন হলেন— নিহত কালামের স্ত্রী সালমা (৩৫), ছেলে মুন্না (১২), মেয়ে মুন্নি (১০) এবং কথা (৫)। চিকিৎসকদের তথ্যমতে, তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক। পরিবারটির গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বরুকদিয়া এলাকায়।
উদ্ধারকারীদের বরাতে জানা যায়, ভোরে রান্নাঘরের চুলা জ্বালাতে গেলে বিকট শব্দে আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে পরিবারের সদস্যরা মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। পরে প্রাণ বাঁচাতে তারা দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন।
জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান সোমবার কালামের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নিহত কালামের শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এছাড়া সালমার ৬০ শতাংশ, মুন্নার ৩০ শতাংশ, মুন্নির ৩৫ শতাংশ এবং শিশু কথার ৫২ শতাংশ পুড়ে গেছে। দগ্ধ বাকি চারজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মতামত