দগ্ধরা হলেন, আমির (২৫), কাওসার (৩০), শঙ্কর (২৫), আল আমিন (৩০), নাজমুল (৪০), সুপ্রভাত (৪২), রমিজুল (৪৫), মনির হোসেন (৪৫), বদরুল হায়দার (৫০), তুহিন শেখ (৩০), ওসমান গণি (৩০) ও সাইফুল ইসলাম (৩০)।
বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আহতদের মধ্যে আমিরের শরীরের ৮০ শতাংশ, কাওসারের ৫৯ শতাংশ, শঙ্করের ৪৬ শতাংশ এবং আল আমিনের ২২ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকিদের ২ থেকে ১৩ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
সোনারগাঁ থানার ওসি গোলাম সারোয়ার জানান, দুপুরে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যান্টিনে খাবার খাওয়ার সময় রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সেফটি কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম বলেন, রান্না শেষ হওয়ার পর অসাবধানতাবশত চুলার গ্যাস চালু ছিল। পরে কেউ আগুন জ্বালাতেই এই বিস্ফোরণ ঘটে। দগ্ধদের মধ্যে আমির, শংকর, কাওছার ও আল আমিন ক্যান্টিন বয়, বাকিরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মী।
এদিকে, বিদ্যুৎকেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি ও অব্যবস্থাপনাকেই এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করছেন স্থানীয়রা। তারা বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
মতামত