খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছয় হাজার মানুষের জন্য একটি করে থাকা এসব ক্লিনিকে একসময় ২৭ ধরনের ওষুধ মিললেও, পরে তা ২২টিতে নামিয়ে আনা হয়। সর্বশেষ গত বছরের আগস্টে বরাদ্দ পাওয়া ওষুধ নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসেই শেষ হয়ে যায়। বর্তমানে গর্ভবতী নারীদের জন্য সীমিত পরিমাণ আয়রন ও অ্যান্টাসিড ছাড়া ক্লিনিকগুলোর ওষুধের তাক প্রায় ফাঁকা।
বিভিন্ন ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা আফরোজা, নুরজাহান ও মনিরা খাতুনসহ একাধিক ভুক্তভোগী জানান, দরিদ্র হওয়ায় তাদের পক্ষে বাইরে থেকে চড়া দামে ওষুধ কেনা সম্ভব নয়। বাড়ির কাছের এই ক্লিনিকগুলোই তাদের একমাত্র ভরসা। চন্দরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যকর্মী বেবী নাজনীন জানান, প্রায় পাঁচ মাস ধরে ওষুধ না থাকায় জ্বর, সর্দি, গ্যাস্ট্রিক ও ডায়রিয়ার মতো সাধারণ রোগীদেরও বাধ্য হয়ে ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডা. আবুল বাসার মো. সাইদুজ্জামান বলেন, সম্প্রতি কিছু ওষুধ এসেছে যা দ্রুত ক্লিনিকগুলোতে বিতরণ করা হবে। তবে নতুন অর্থবছরের বরাদ্দ না এলে এ সংকট পুরোপুরি কাটবে না।
সার্বিক বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন ডা. আনিসুর রহমান জানান, ওষুধ সংকটের বিষয়টি ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে। খুব শিগগিরই সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মতামত