সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, জুলাই অভ্যুত্থানে আহত হয়ে কর্মক্ষমতা হারানো যোদ্ধাদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল ইউনিয়নে একটি কোরবানির পশুর হাট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে জেলা পরিষদ প্রশাসক আন্তরিকতার সঙ্গে জেলা প্রশাসকের কাছে সুপারিশপত্রও প্রদান করেন। কিন্তু জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে গিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও তারা সাক্ষাৎ পাননি। পরবর্তীতে ইউএনওর সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং হাটের অনুমতি দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন।
সংবাদ সম্মেলনে জুলাই যোদ্ধারা অভিযোগ করেন, প্রশাসনের আশ্বাসের ভিত্তিতে তারা নিজেদের সঞ্চিত অর্থ ও ফান্ড দিয়ে হাটের প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন। কিন্তু ইউএনও কার্যালয়ের বাইরে অবস্থানরত কিছু চাঁদাবাজ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হাটে হামলা চালায় এবং ব্যানারসহ বিভিন্ন মালামাল ব্যাপক ভাঙচুর করে।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এই যোদ্ধারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যে বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করেছি, আজ নিজেরাই সেই হয়রানি ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছি।
এ সময় তারা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, হামলাকারী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ, আহত যোদ্ধাদের পুনর্বাসন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পশুর হাট পরিচালনার অনুমতি দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমরা জুলাই যোদ্ধার নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিটির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. লিটন, সদস্য হীরা, জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক কাউছার আহমেদ সুমন, সদস্য সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ও মো. আলামিন।
মতামত