শহরের গোবিন্দনগর এলাকায় ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) এবং বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির (বিটিএস) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রোগ। অজান্তেই দুজন বাহকের মধ্যে বিয়ে হলে তাদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবল ঝুঁকি থাকে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ রাখতে বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করা এখন সময়ের দাবি। এ বিষয়ে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে একসঙ্গে কাজ করে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তাঁরা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) হেমাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মাফরুহা আক্তার বলেন, দেশে থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনও পর্যাপ্ত সচেতনতা নেই। বিয়ের আগে এই পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করতে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন।
সেমিনারে শিক্ষার্থীরা থ্যালাসেমিয়া ও রক্তস্বল্পতা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের কাছে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন এবং চিকিৎসকরা প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢামেকের হেমাটোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট বিভাগের সাবেক প্রধান অধ্যাপক এম এ খান, জাতীয় নাক-কান-গলা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাসিব মোহাম্মদ ইরশাদুল্লাহ এবং বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির নির্বাহী পরিচালক ডা. এ কে এম একরামুল হোসেন। এছাড়া ইকো পাঠশালা অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. সেলিমা আখতারসহ স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
মতামত