২০০৫ সালে তৎকালীন বিনিয়োগ বোর্ডের নিবন্ধনের মাধ্যমে জাপানি নাগরিক হাসেগাওয়া হিদেতাকার সভাপতিত্বে প্রকল্পটি যাত্রা শুরু করে। তবে ২০১৮ সালে বিএফডিসির কাছ থেকে প্ল্যান্ট বুঝে নেওয়ার পর থেকেই বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। বিএফডিসির আওতাধীন সাবেক একটি বরফ কলের অবৈধ ব্যবহারকারীদের ৬৫ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) নতুন কোনো সংযোগ দিচ্ছে না। এর ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানদণ্ড অনুযায়ী জাপানি প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকায়ন আটকে আছে। এছাড়া চত্বরে বিএফডিসির অননুমোদিত যানবাহন ফেলে রাখা এবং বহিরাগতদের হস্তক্ষেপে উৎপাদন পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কবির আহমেদ জানান, ইউটিলিটি সংযোগ মিললে বছরে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি সহস্রাধিক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব। অনতিবিলম্বে বিদ্যুৎ-পানি সংযোগ সচল এবং চত্বর থেকে বিএফডিসির মালামাল অপসারণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানিয়েছেন। বিএফডিসি চত্বরের অতীত অনিয়ম ও বকেয়া জটিলতা নিরসন করে দেশের রপ্তানি স্বার্থে কারখানাটি চালুর জন্য প্রধানমন্ত্রী ও কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিনিয়োগকারীরা।
মতামত