বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনের সদস্য এবং সাধারণ জনগণ অংশ নেন। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে মিঠাপুকুরে রাতে সড়কে ডাকাতি, ছিনতাই ও চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে, ফলে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এছাড়া মাদকের অবাধ বিস্তার এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালাল চক্র ও প্রশাসনিক দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
এসব সমস্যা নিরসনে দ্রুত দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ৫ দফা দাবি উত্থাপন করেন আন্দোলনকারীরা। পরে তারা অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, ইউএনও মো. পারভেজ এবং মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এরশাদুল হকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
সমাবেশ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, প্রশাসনকে এসব বিষয়ে আরও কঠোর ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে বৃহত্তর ও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মতামত