জানা গেছে, নগরীতে অপরিকল্পিতভাবে গভীর নলকূপ স্থাপনের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকি মোকাবিলায় একটি সুনির্দিষ্ট ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেই লক্ষ্যে নামমাত্র একটি প্রশাসনিক ফি চালুর প্রাথমিক চিন্তাভাবনা থাকলেও একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিষয়টিকে জনবিরোধী ট্যাক্স হিসেবে অতিরঞ্জিত করে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালায়।
জনগণের ওপর যেন কোনো ধরনের বাড়তি আর্থিক চাপের সৃষ্টি না হয়, সেজন্য শুরু থেকেই আন্তরিক ছিলেন নাসিক প্রশাসক। অন্যায্য অপপ্রচারের মুখে তিনি স্বউদ্যোগে সরকারের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সাথে সরাসরি আলোচনা করেন। তাঁর বলিষ্ঠ যুক্তির প্রেক্ষিতে সরকার এই প্রস্তাবিত ফি পুরোপুরি প্রত্যাহারের সবুজ সংকেত প্রদান করে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনের এই পদক্ষেপ বর্তমান প্রশাসকের দূরদর্শিতা ও জনবান্ধব মানসিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কর চাপানো নয়, বরং পুরোপুরি জনস্বার্থ রক্ষায় যে এই প্রশাসন কাজ করছে এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হলো। এর ফলে সাবমারসিবল পাম্প ব্যবহারের ক্ষেত্রে নগরবাসীর ওপর আর কোনো প্রকার আর্থিক বোঝা থাকছে না। প্রস্তাবিত এই কর প্রত্যাহারে সাধারণ নগরবাসীর মাঝে স্বস্তি ও সন্তুষ্টি বিরাজ করছে।
মতামত