জেলা প্রশাসক বলেন, ঈদের আনন্দ যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনায় ম্লান না হয়, সেজন্য প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ সময় তিনি চাঁদাবাজি, ছিনতাই, যানজট এবং জাল টাকার বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। হাটে চাঁদাবাজি ও হয়রানি রোধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও র্যাবের সমন্বয়ে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা ও জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ স্থাপন করা হবে।
ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে বাস ও লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। অনিয়ম পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যারা ঈদের ছুটিতে গ্রামে যাবেন, তাদের দরজা-জানালা ভালোভাবে তালাবদ্ধ করে প্রতিবেশী বা আশপাশের দোকানিকে জানিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পুলিশের বিশেষ টহল টিম সার্বক্ষণিক পাহারায় থাকবে। কোরবানির বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, দ্রুত বর্জ্য অপসারণে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, জাতীয় সম্পদ হিসেবে পশুর চামড়া সংরক্ষণে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
পরিশেষে জেলা প্রশাসক নারায়ণগঞ্জবাসীকে অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, অপপ্রচার বা গুজবের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯ অথবা জেলা কন্ট্রোল রুমে জানানোর অনুরোধ করেন।
মতামত