রংপুর আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, শুক্রবার ভোর ৪টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত মাত্র ৫ ঘণ্টায় ১৬৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সকালে বৃষ্টির বেগ কিছুটা কমলেও পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর মাস্টারপাড়া, কামারপাড়া, বাবু খাঁ, লালবাগ, গনেশপুর, নিউ জুম্মাপাড়া, মুন্সিপাড়াসহ অন্তত ৪০টি মহল্লা এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাস হাঁটু থেকে কোমর সমান পানির নিচে তলিয়ে আছে। সড়কের খানাখন্দ পানিতে ঢেকে থাকায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। এছাড়া অনেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়িতে পানি ঢুকে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নালাগুলো দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার না থাকাই এই ভয়াবহ জলাবদ্ধতার মূল কারণ। ড্রেনগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় এবং শ্যামা সুন্দরী খালে পানি নামার ব্যবস্থা না থাকায় সিটি কর্পোরেশনের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী।
এদিকে, নগরীর এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে সিটি কর্পোরেশনের পদক্ষেপ জানতে প্রশাসক মাহফুজুন্নবী ডনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
মতামত