ঘটনাটি ঘটেছে থানচি সদরের নতুন পাড়া এলাকায়। অভিযুক্ত বিজয় বড়ুয়া ওই এলাকারই বাসিন্দা।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত কিশোর। রবিবার (২৪ মে) সকালে শিশুটি তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানালে, দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এরপর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত বিজয় বড়ুয়াকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
ধর্ষণের খবর ছাত্রসমাজ ও স্থানীয়দের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে তারা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে থানচি থানা ঘেরাও করে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়দের কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল বলেন, এক ত্রিপুরা শিশুকে ধর্ষণের খবর পেয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বলিপাড়া জোন থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। বিজিবি কখনোই কোনো অপরাধীকে প্রশ্রয় দেয় না। শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় তারা সেনা ও পুলিশের সাথে সমন্বয় করে কাজ করছে। একইসঙ্গে গুজব ও অপপ্রচারে কান না দিয়ে স্থানীয়দের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে বাহিনীটি।
মতামত