আটককৃতরা হলেন, ফাহিম আহমেদ সিফাত (১৮), মো. ফিরোজ আহমেদ (২৭) ও সাহিদুর রহমান সিয়াম (৫০)। তারা হাটের ইজারাদারের পক্ষে হাসিল আদায়ের কাজে নিয়োজিত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকে সরকারি নির্ধারিত হারের বাইরে জোরপূর্বক অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছিল। ভুক্তভোগীদের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পায় এবং অভিযুক্তদের আটক করে। বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে পুলিশের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ জানান, পশুর হাটে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, অতিরিক্ত হাসিল আদায় বা হয়রানি বরদাশত করা হবে না। ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে পশু কেনাবেচা করতে পারেন, সে জন্য মহানগরজুড়ে পুলিশি টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হাট ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সরকারি নির্ধারিত হার অনুসরণ করতে হবে। নিয়ম ভঙ্গ করে কেউ জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়ালে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতামত