বুধবার (১০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে এ বিচার শুরু হয়। মামলার সব আসামি পলাতক থাকায় তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার চলছে। এর আগে গত ১৩ মে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলার অন্য উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন, শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, তানভীর আহমেদ টিটু, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম এবং যুবলীগ-ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন সাবেক নেতা।
বিচার শুরুর পর এদিন আদালতে প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ৫ আগস্ট চাষাঢ়ায় গুলিতে নিহত আবুল হাসান স্বজনের বড় ভাই মো. আবুল বাশার অনিক। তিনি সাক্ষ্যে দাবি করেন, শামীম ওসমানের নেতৃত্বে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালানো হয় এবং শামীম ওসমানের ছেলে অয়নের পিস্তলের গুলিতেই তার ভাই স্বজন নিহত হন। প্রসিকিউশনের অভিযোগপত্র অনুযায়ী, আসামিদের বিরুদ্ধে তিনটি পৃথক ঘটনায় ১০ জনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ১৯ জুলাই চাষাঢ়া ও সাইনবোর্ড এলাকায় শিশু রিয়াসহ ৬ জন, ২১ জুলাই ফতুল্লায় ২ জন এবং ৫ আগস্ট চাষাঢ়ায় ২ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল এই মামলার ফরমাল চার্জ আমলে নেন। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে ইতোমধ্যে আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।
মতামত