স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা জানান, স্কুলটিতে বিপুল সংখ্যক শিশু পড়াশোনা করে। একটি মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিচে এভাবে শত শত গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখা অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। প্রশাসনিক উদাসীনতার ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা অতীতের বিভিন্ন গ্যাস দুর্ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং কোনো অঘটন ঘটার আগেই দ্রুত এই অবৈধ ব্যবসা বন্ধের দাবি জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিবানী সরকার বলেন, স্কুল ভবনের নিচে এলপি গ্যাস বিক্রির বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে জনস্বার্থে ও শিশুদের সুরক্ষায় বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হবে। দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিচে এমন ঝুঁকিপূর্ণ বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও সিটি কর্পোরেশনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।
মতামত