ময়মনসিংহের ত্রিশালের বাসিন্দা রতন মিয়া ২০২২ সাল থেকে মাসিক ১৫ হাজার টাকা বেতনে এই বাড়ির কেয়ারটেকারের দায়িত্ব নেন। ২০২৪ সালে বেনজীর আহমেদের অবৈধ সম্পদের বিরুদ্ধে মামলা ও সম্পত্তি ক্রোকের পর থেকে তাঁর বেতন বন্ধ হয়ে যায়।
রতন মিয়া জানান, দুই বছরের বেশি হলো বেতন পাই না। অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেসহ তিনজনের সংসার চালাতে স্ত্রী কুটির শিল্পের কাজ করছেন। আমি চলে গেলে যদি বাড়ির কোনো ক্ষতি হয় আর আমি আইনি প্যাঁচে পড়ে যাই সেই ভয়ে বাড়ি ছাড়ছি না। দুদকের লোকজন আমার আইডি কার্ড ও স্বাক্ষর নিয়েছেন। আশা করছি, কোনো একদিন সব পারিশ্রমিক একসঙ্গে পাব।
আদালতের নির্দেশে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন বাড়িটি জব্দ করার পর কিছুদিন সরকারি নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হলেও গত জানুয়ারি থেকে তা বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে রতন একাই বিশাল এই ডুপ্লেক্স বাড়িটি পাহারা দিচ্ছেন। আঙিনার কিছু ফলমূল ও সবজি বিক্রি করে তাঁর নিজের হাতখরচ চলছে।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে আমরা বাড়িটি দেখাশোনা করছি। কোর্ট এটিকে ম্যানেজমেন্ট করতে বলেছে, কোনো ফান্ড দেয়নি। গ্রাম পুলিশ সদস্যরা নিয়মিত এলাকাটি তদারকি করছেন। তবে মালিকপক্ষের কেয়ারটেকারের বেতনের বিষয়টি আমাদের আওতাভুক্ত নয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ীই আমরা কাজ করছি।
মতামত