শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে মহানগর জামায়াত আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের অবদানকে অবমূল্যায়ন বা উপহাস করা হলে তা জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল হবে। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন ও গণভোটে জনগণের রায় যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি। যারা জনগণের রায়কে সম্মান করে না, তারা প্রকৃত গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয়।
সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ থেকে শুরু করে ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয়, স্থানীয় সরকার ও জেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের মাধ্যমে একদলীয় শাসনের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, একদলীয় শাসন কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। সংসদে বিরোধী দলকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার যে সংস্কৃতি আওয়ামী লীগ চালু করেছিল, এখন সেই একই ধারা অব্যাহত থাকলে জনগণ তা গ্রহণ করবে না। তরুণ প্রজন্ম এখন বিভাজন নয়, জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব চায়।
বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বড় বাজেট বাস্তবায়নই মূল চ্যালেঞ্জ। রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটের পথ থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে। চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে জনগণের আস্থা অর্জন সম্ভব নয়। নারায়ণগঞ্জের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে শিল্প ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির দাবিও জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। জনগণ এখন অনেক সচেতন, তারা কথার চেয়ে কাজের মূল্যায়ন করে।
মতামত