মৌমিতা পরিবহনের নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের সুপারভাইজার রফিকুল ইসলাম কালা জানান, সম্প্রতি মহানগর বিএনপির ওই শীর্ষ নেতার পারিবারিক অনুষ্ঠানের পর কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজারকে (জিএম) ডেকে নিয়ে মাসিক ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দিলে বাস চলাচল বন্ধ ও গাড়ি ভাঙচুরের হুমকি দেওয়া হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২০ জুন) ওই নেতার নির্দেশে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি বরকতউল্লাহ, মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদকের পিএস শাহাবুদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী ও সহযোগী মিলে মৌমিতা বাসের চলাচল বন্ধ করে দেন।
বাস চলাচল বন্ধ থাকায় কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। পরিবহন কর্তৃপক্ষের দাবি, বর্তমান সরকারের চাঁদাবাজি বিরোধী অবস্থানের মুখে এ ধরনের কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুন্ন করার পাশাপাশি সরকারের সুনাম নষ্টের একটি চক্রান্ত।
পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা এই নৈরাজ্য বন্ধে বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি।
মতামত