প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত ও কার্যকর সেবা পৌঁছে দিতে এখন থেকে প্রতি সপ্তাহের বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নিয়মিতভাবে এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
সরাসরি অভিযোগ গ্রহণ শুনানিতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সেবা প্রত্যাশীরা ভূমি-সংক্রান্ত জটিলতা, নামজারি, খাসজমি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, প্রশাসনিক হয়রানি ও অবকাঠামোগত সমস্যাসহ নানা বিষয় তুলে ধরেন।
জেলা প্রশাসক প্রতিটি অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন। যেসব সমস্যা তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তিযোগ্য ছিল, সেগুলোর দ্রুত সমাধান করা হয়। আর তদন্তসাপেক্ষ বিষয়গুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
সেবা প্রত্যাশীদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, জনগণের সঙ্গে প্রশাসনের দূরত্ব কমানো এবং ভোগান্তি হ্রাস করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। সাধারণ মানুষ যেন দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের শরণাপন্ন না হয়ে সরাসরি নিজেদের সমস্যার কথা বলতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, সরাসরি অভিযোগ শুনলে প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও সেবার মান বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
গণশুনানিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিনাত ফৌজিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সিফাত উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাফি এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. আলিনুর খানসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ভবিষ্যতেও এ ধরনের নাগরিকবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
মতামত