খোরশেদ আলী বলেন, শুধু তালগাছ লাগালেই হবে না, গাছগুলো বড় হওয়া পর্যন্ত নিয়মিত পরিচর্যা করতে হবে। চারা লাগানোর পর খোঁজ না রাখায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমি নিজের দায়িত্বে বছরের পর বছর ধরে যত্ন নিচ্ছি। সবাই নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে এলে বজ্রপাতের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।"
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান জানান, গত দুই বছরে তাদের দপ্তরে এ সংক্রান্ত কোনো বরাদ্দ আসেনি। তবে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মাজেদুল ইসলাম জানান, কৃষি বিভাগের উদ্যোগে ও প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় জেলায় প্রায় সাড়ে ৫ হাজার তালগাছ লাগানো হয়েছে।
এদিকে, বজ্রপাতের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা এই জেলায় গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো হরিপুর ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা ব্যয়ে সরকারি বজ্রপাত প্রতিরোধ প্রকল্প শুরু হয়েছে। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আফাজ উদ্দিন জানান, এই প্রকল্পের আওতায় খোলা ফসলি মাঠের পাশে কৃষকদের জন্য বজ্রপাত নিরোধক দণ্ড ও আশ্রয়ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, সরকারি উদ্যোগের তুলনায় খোরশেদ আলীর একক প্রচেষ্টা ও তদারকির কারণেই তার লাগানো গাছগুলো টিকে আছে, যা পরিবেশ রক্ষায় এক অনন্য নজির।
মতামত