অভিযোগ উঠেছে, ধসে পড়া দেয়ালটি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজেদের উদ্যোগে মেরামত করতে গেলে একটি স্থানীয় চক্র কাজ বন্ধ করে দেয়। ফলে পাঁচ মাস ধরে সীমানাপ্রাচীর ছাড়াই চলছে শিক্ষা কার্যক্রম।
সীমানাপ্রাচীর না থাকায় ব্যস্ত সড়কের পাশে অবস্থিত এই বিদ্যালয়টির ভেতর বহিরাগতদের অবাধ যাতায়াত বেড়েছে। ভাঙা অংশ দিয়ে অনেক সময় শিশুরা বাইরে চলে যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এছাড়া গত পাঁচ মাসে বিদ্যালয়টি থেকে ১৭টি সিলিং ফ্যান, পানির মোটর ও বিদ্যুতের তার চুরির ঘটনা ঘটেছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহিন মিয়া বলেন, দেয়াল ভেঙে যাওয়ার পর থেকে আমরা প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে আছি। ছোট ছোট বাচ্চাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
বিদ্যালয়ের পরিচালক ফারুক আউয়াল জানান, স্থানীয় একটি চক্র কাজ বন্ধ করে দেওয়ায় তারা চরম বিপাকে পড়েছেন এবং এ বিষয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিভাবকেরাও দ্রুত সীমানাপ্রাচীর পুনর্র্নিমাণের দাবি জানিয়েছেন।
মতামত