কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে জলমা ইউনিয়নের তেঁতুলতলা, বটিয়াঘাটা বাজার সদর, বরুইতলা, ভাদাইলবুনিয়া ও সুন্দরমহলসহ বেশ কিছু এলাকার বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, অতীতে কাজীবাছা নদীর গতিপথ পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে জলমা ও কচুবুনিয়া গ্রামের হাজার হাজার একর জমি ও ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বর্তমানে বাঁধের এই নাজুক পরিস্থিতিতে উপকূলীয় মানুষ চরম আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।
খবর পেয়ে বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) থান্দার কামরুজ্জামান ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, তাৎক্ষণিকভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তারা ঘটনাস্থল পরিমাপ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এ বিষয়ে খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও নদী ভাঙন রোধ বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। কচুবুনিয়া সংলগ্ন শহররক্ষা বেড়িবাঁধের ভাঙন মারাত্মক আকার ধারণ করায় পাউবো কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে আমি রাতেই এলাকাটি পরিদর্শন করেছি। ভাঙন রোধে সেখানে স্থায়ী বিকল্প বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আশা করছি, খুব দ্রুতই কাজ শুরু হবে।
উপকূলীয় অঞ্চলের জানমাল রক্ষায় দ্রুত টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী ও জনপ্রতিনিধিরা।
মতামত