স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, স্বামীর মৃত্যুর পর তিন ছেলে আয়েশা বেগমের সম্পত্তি নিজেদের নামে লিখে নেন। এরপর থেকেই শুরু হয় অবহেলা। একপর্যায়ে ছেলেদের বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে স্বামীর দেওয়া জমিতে একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘরে একা বসবাস শুরু করেন তিনি। সেখানে নেই কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ, বৃষ্টি হলেই ঘর বেয়ে পড়ে পানি। প্রতিবেশীদের দেওয়া খাবার ও সাহায্যেই এখন কোনোমতে দিন কাটছে তাঁর। সন্তানদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ ও অবিশ্বাস থেকে নিজের ঘরের পাশেই শেষ ঠিকানা হিসেবে কবরটি খুঁড়ে রেখেছেন তিনি।
আক্ষেপ করে আয়েশা বেগম বলেন, অনেক কষ্ট করে ছেলেদের মানুষ করেছি। সম্পত্তি নেওয়ার পর এখন আর কেউ খোঁজ নেয় না। ঠিকমতো খেতেও দেয় না। মরে গেলে তারা দাফন করবে কি না, সেই ভরসা নেই। তাই এলাকাবাসীকে বলে রেখেছি, আমি মারা গেলে যেন নিজের হাতে বানানো এই কবরেই আমাকে দাফন করা হয়।
এলাকাবাসী জানান, বৃদ্ধার ছেলেদের আর্থিক অবস্থা ভালো হলেও মায়ের দায়িত্ব কেউ নেননি। উল্টো প্রতিবেশীরা এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে দুর্ব্যবহারের শিকার হতে হয়। এ বিষয়ে আয়েশা বেগমের ছেলেদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মতামত