সারাদেশ

সিদ্ধিরগঞ্জে বড় পর্দায় বিশ্বকাপের ফাইনাল: হাজারো দর্শকের ভিড়ে সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগর

প্রিন্ট
সিদ্ধিরগঞ্জে বড় পর্দায় বিশ্বকাপের ফাইনাল: হাজারো দর্শকের ভিড়ে সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগর

প্রকাশিত : ২০ জুলাই ২০২৬, রাত ১২:১৬

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় উপভোগ করা হলো ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের আর্জেন্টিনা বনাম স্পেনের মধ্যকার হাইভোল্টেজ ফাইনাল ম্যাচ। রবিবার (১৯ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টায় নাসিক ৭ নং ওয়ার্ডের আদমজী কদমতলী এলাকায় এম ডব্লিউ স্কুল সংলগ্ন এই জমকালো প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। খেলাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

খেলা উপভোগ করতে আসা হাজারো ফুটবলপ্রেমী দর্শকের মাঝে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এডভোকেট রাকিবুর রহমান সাগর।

ব্যতিক্রমী ও মুখর এই আয়োজনের প্রশংসা করে এডভোকেট রাকিবুর রহমান সাগর বলেন, এমন একটি চমৎকার আয়োজন আমি কখনো ভাবতেও পারিনি। এত সুন্দর পরিবেশে শত শত মানুষের সমাগম, যেখানে সবাই গভীর রাতেও সুশৃঙ্খলভাবে ফুটবল খেলা উপভোগ করছেন। সকলের কাছে আমার একটি বিশেষ বার্তা থাকবে আমরা খেলা উপভোগ করব। হার-জিত খেলারই অংশ, তাই এ নিয়ে ভেতরে বা বাইরে যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। তরুণ সমাজকে বিপথগামিতা থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমরা যদি এই উঠতি বয়সের তরুণদের সবসময় খেলাধুলার মাঝে ব্যস্ত রাখতে পারি, তাহলে সমাজ থেকে মাদক, কিশোর গ্যাং এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চিরতরে দূর করা সম্ভব হবে। খেলাধুলা মানুষের মন ও মানসিকতার বিকাশ ঘটায় এবং আত্মিক প্রশান্তি দেয়। এ সময় তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং উপস্থিত সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

যুবসমাজকে সুস্থ বিনোদন দিতে এই স্মরণীয় প্রদর্শনীর যৌথ উদ্যোগে ছিল সামাজিক সংগঠন নিউ জেনারেশন্স বাংলাদেশ-এনজিবি এবং এস নেট। পুরো আয়োজনটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে অক্লান্ত পরিশ্রম ও মূল দায়িত্বে ছিলেন মেহরাব হোসেন প্রভাত, মোঃ নয়ন, সাকিব আহমেদ এবং মোঃ সুমন।

খেলা দেখতে আসা স্থানীয় দর্শকরা জানান, বড় পর্দায় একসাথে বসে খেলা দেখার এই উদ্যোগের ফলে তরুণদের মাঝে যেমন ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়বে, তেমনি সমাজ বিনির্মাণেও তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। গভীর রাত পর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে খেলা উপভোগ করেন দর্শকবৃন্দ।