বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার ভোটমারী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন হাতীবান্ধা উপজেলার পশ্চিম বেজগ্রাম এলাকার মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. জামিনুর রহমান (৪০) এবং একই এলাকার ওসমান গণীর ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম (৪৫)। তারা মামলার ২ ও ৪ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুলাই হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক তুহিন মিয়া সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে টংভাঙ্গা ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি এলাকায় মাদক উদ্ধার ও পরোয়ানা তামিল অভিযানে যান। এ সময় চিহ্নিত মাদক কারবারি হামিদুল ইসলাম পালিয়ে একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলে পুলিশ তাকে আটক করে।
পরে জনসম্মুখে তল্লাশির সময় হামিদুল চিৎকার শুরু করলে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা সহকারী উপপরিদর্শক আব্দুল হাকিমকে মারধর করে মাটিতে ফেলে তার পকেট থেকে হ্যান্ডকাফের চাবি ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে হ্যান্ডকাফ খুলে হামিদুলকে মাদকসহ ঘটনাস্থল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ১৯ জুলাই হাতীবান্ধা থানায় উপপরিদর্শক তুহিন মিয়া বাদী হয়ে মামলা করেন। ঘটনার পর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে গেলে তাদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে র্যাব।
র্যাব-১৩ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে দুই এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের হাতীবান্ধা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ এবং সরকারি কাজে বাধাদানসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মতামত