সারাদেশ

নারায়ণগঞ্জ-৫ মাসুদুজ্জামানের সরে দাঁড়ানোয় জমে উঠেছে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়

প্রিন্ট
নারায়ণগঞ্জ-৫ মাসুদুজ্জামানের সরে দাঁড়ানোয় জমে উঠেছে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়

প্রকাশিত : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, রাত ১১:৫৫

নারায়ণগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামানের আকস্মিক সরে দাঁড়ানোর ঘোষণায় নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মোড় নিয়েছে। গত ১৬ ডিসেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলে আলোচনায় উঠে এসেছেন দলের অন্যান্য মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। দলীয় মনোনয়ন পেতে ইতিমধ্যেই জোর লবিং ও গণসংযোগ শুরু করেছেন চার হেভিওয়েট নেতা। মাঠে সক্রিয় থাকা সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, নর্থামব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও সরকারি নীতি বিশেষজ্ঞ আলিয়ার হোসেন এবং শিল্পপতি আবু জাফর আহমেদ বাবুল।

অ্যাডভোকেট আবুল কালাম: ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচিত এই সাবেক এমপি বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। আশা করি, দল পূর্বের মতো এবারও আমাকে মূল্যায়ন করবে।

অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান ২০১৬ সালের সিটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এই নেতা বলেন, দলের চরম দুঃসময়ে রাজপথে থেকে জেল-জুলুম সহ্য করেছি। সাধারণ মানুষের আগ্রহের কারণেই আমি মাঠে আছি এবং দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি।

অধ্যাপক আলিয়ার হোসেন আধুনিক নারায়ণগঞ্জ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, স্মার্ট ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। দল আমাকে যোগ্য মনে করলে সবাইকে নিয়ে কাজ করব, নতুবা দল যাকে মনোনীত করবে তার পক্ষেই থাকব।

শিল্পপতি বাবুল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাঠের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের পাশে আছি। সুযোগ পেলে এই আসনকে একটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলব।

মনোনয়নপ্রত্যাশীরা জানান, মাসুদুজ্জামানের মনোনয়ন পাওয়ার পরও তারা বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবনার লিফলেট বিতরণসহ প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রেখেছিলেন। এখন মাসুদুজ্জামান সরে দাঁড়ানোয় তারা নতুন উদ্যমে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। তবে দলীয় হাইকমান্ড শেষ পর্যন্ত কার ওপর আস্থা রাখে, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন জেলা বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা।