দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, তেমনি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতেও তাকে বাংলাদেশের পরবর্তী সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চিত্রায়িত করা হচ্ছে।
প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে তারেক রহমানকে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের অন্যতম প্রধান নেতৃত্বের দাবিদার হিসেবে উল্লেখ করেছে। কাতারভিত্তিক আলজাজিরা এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস-ও একই ধরনের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে।
বিবিসি তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা নেতা তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে তার এই প্রত্যাবর্তন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
রয়টার্স সংবাদ সংস্থাটির মতে, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বিএনপি সমর্থকরা নতুন করে উজ্জীবিত হবে। তাকে বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রীর পদপ্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছে সংস্থাটি।
তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুরু করে রাজপথের দুই পাশে লাখো নেতাকর্মীর ঢল নামে। দলীয় পতাকা, ব্যানার ও স্লোগানে মুখরিত রাজপথে তাকে বীরোচিত সংবর্ধনা জানানো হয়। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতারা তাকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান।
৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র। ২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে অবস্থান করার পর বর্তমানে তিনি দলের হাল ধরেছেন। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আগামী নির্বাচনে বিএনপি যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তবে জিয়া পরিবারের এই সদস্যই হতে পারেন বাংলাদেশের পরবর্তী সরকার প্রধান।
মতামত