ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসনে বেশ বিপাকে রয়েছে বিএনপি। এ আসনে দলের চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সাবেক সচিব আব্দুল বারীকে। তবে তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আরও তিন হেভিওয়েট নেতা। তারা সবাই বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।
এ আসনে দলীয় প্রার্থীর বিপরীতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি ইঞ্জি. গোলাম মোস্তফা। এছাড়াও সাবেক ছাত্রনেতা ও ওমান বিএনপির নেতা ইঞ্জিনিয়ার আমিনুর রহমান (সিআইপি) এবং আব্বাস আলী প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন।
সাবেক এমপি গোলাম মোস্তফা বলেন, ২০০৮ সালের দুঃসময়েও আমি এমপি নির্বাচিত হয়েছিলাম। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে নেতাকর্মীদের সঙ্গেই আছি। দল শেষ পর্যন্ত বিবেচনা করলে আমি বিপুল ভোটে জয়ী হবো। তবে দল সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করলে শেষ পর্যন্ত তিনি বিদ্রোহী হিসেবে মাঠে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
অন্যদিকে, তরুণ নেতা ইঞ্জিনিয়ার আমিনুর রহমান বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তরুণ নেতৃত্বের কথা বলেছেন। সেই হিসেবে আমি মনোনয়নের দাবিদার। তবে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে তা মেনে নেব, শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহী হিসেবে মাঠে থাকব না।
কালাই ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫১ হাজার ৫৭২ জন। বিএনপি ও এর বিদ্রোহীদের পাশাপাশি এ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর এস এম রাশেদুল আলম এবং এবি পার্টির এস এ জাহিদ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনের আগে অভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটিয়ে বিদ্রোহ দমানোই এখন স্থানীয় বিএনপির বড় চ্যালেঞ্জ। দলীয় কোন্দল নিরসন না হলে ভোটের মাঠে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
মতামত