ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার্থে হাটগুলোতে পর্যাপ্ত আলো, পানি ও স্যানিটেশনের ব্যবস্থা করছেন ইজারাদাররা। জালনোট রোধে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি কিছু হাটে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেনের সুবিধাও রাখা হচ্ছে। স্থানীয় খামারি আব্দুল আল মামুন বলেন, এবার দেশীয় গরুর সরবরাহ ভালো। আশা করছি এবারের হাট বেশ জমজমাট হবে। হাটের সার্বিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পশুর স্বাস্থ্য নিশ্চিতে ও অসুস্থ পশু বিক্রি রোধে প্রতিটি হাটে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনারও প্রস্তুতি রয়েছে।
সব মিলিয়ে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সিরাজদিখানে খামারি, ব্যাপারী ও সাধারণ মানুষের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
মতামত