আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা পাঁচবিবি বাজারের জবাইখানা পরিদর্শনে গিয়ে একটি গর্ভবতী গাভী জবাই করার প্রমাণ পান। এসময় জবাইকৃত গাভীর অনাগত বাচ্চাটিকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে মাংস বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সংশ্লিষ্টরা।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিম আহমেদ এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাসান আলী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এসময় কসাই দেলোয়ার পশু জবাইয়ের কোনো বৈধ অনুমতিপত্র বা চিকিৎসকের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ দেখাতে ব্যর্থ হন। তিনি ২০২৪ সালের একটি পুরনো অনুমতিপত্র দেখালেও বর্তমানের জন্য তা গ্রহণযোগ্য ছিল না।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক কসাই দেলোয়ারকে নগদ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে ডাক্তারি পরীক্ষা ও নিয়ম মেনে পশু জবাই করার জন্য বাজারের সকল মাংস ব্যবসায়ীকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
মতামত