জেলা বিএনপির সদস্য অকিল উদ্দীন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিদ্ধিরগঞ্জ হয়ে চাঁদপুর সফরে যাবেন। আমরা সুশৃঙ্খলভাবে তাকে বরণ করে প্রমাণ করব নারায়ণগঞ্জ ও সিদ্ধিরগঞ্জ বিএনপির একটি শক্তিশালী ঘাঁটি। নেতাকর্মীদের আদর্শবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, দলের জন্য আমি জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত, তবে নীতির বাইরে কোনো কাজ করতে পারব না। আপনাদেরও নিজেদের যোগ্যতায় নেতা হতে হবে। আদর্শ নিয়ে কাজ করুন, দল থেকে সম্মান পাবেন। দলের কাছে আমার আর কিছু চাওয়া-পাওয়ার নেই। কিছুদিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল। তিনি আমাকে দেখে যে হাসি দিয়েছেন, তাতেই আমি মুগ্ধ, আমি আমার জীবনের সবকিছু পেয়ে গেছি। আমি কোনোদিন কারো কাছে তদবির করিনি। আমি আপনাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই নিজেদের যোগ্যতায় নেতা হোন, নেতা হতে গেলে যোগ্যতার প্রয়োজন আছে। সভায় আগামী ১৬ মে সকাল ৭টায় চিটাগাং রোড এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর সিদ্ধান্ত হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে যেন কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা বা যানজট সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নেতাকর্মীদের প্রতি কঠোর নির্দেশ দেন অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সদস্য রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোশারফ হোসেন, ৬নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তার হোসেন, থানা জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ গাজী সেলিম, বিএনপি নেতা রাকিব দেওয়ান, যুবদল নেতা দুলাল হোসেন, মোহাম্মদ শাহআলম হিরা ও মোহাম্মদ বাবুল প্রমুখ।
মতামত