নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ছয় বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ১৮ বছর বয়সী যুবক কাউছার আহম্মেদ পলাশকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকালে ফতুল্লার কুতুবপুর দেলপাড়া এলাকা থেকে তাকে হেফাজতে নেয় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত পলাশ দেলপাড়া আল মদিনা মসজিদ সংলগ্ন চিকলির বাড়ীর ভাড়াটিয়া রাজিবুল হোসেনের ছেলে। ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় ‘মাদ্রাসাতুল কুবরা আল আরাবিয়া’র হিফজুখানা শাখার শিক্ষার্থী।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে দেলপাড়া মাস্টার মহল্লা সংলগ্ন একটি খেলার মাঠের পাশে পরিত্যক্ত বাউন্ডারির ভেতর ওই শিশুটি তার ১০ বছর বয়সী বড় ভাইয়ের সাথে খেলা করছিল। এসময় অভিযুক্ত পলাশ সেখানে উপস্থিত হয়ে শিশুটিকে চিপস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখায়। সহজ-সরল শিশুটি প্রলোভনে পা দিলে পলাশ তাকে কৌশলে নির্জন আড়ালে নিয়ে যায় এবং স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
ঘটনার এক পর্যায়ে শিশুটি চিৎকার শুরু করলে তার বড় ভাই দ্রুত সেখানে ছুটে আসে। উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত পলাশ দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে শিশুরা বাড়িতে ফিরে পরিবারের কাছে বিস্তারিত জানালে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পিতা রুবেল মিয়া বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার প্রেক্ষিতে শুক্রবার ভোরেই অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে। প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিশু সুরক্ষা এবং অপরাধ দমনে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। আইন অনুযায়ী আসামিকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।
মতামত