গত ১২ ফেব্রুয়ারি হুমায়রা বেগমের সিজার সম্পন্ন হয়। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অপারেশনের সময় চিকিৎসক ও সহকারীরা অপাসঙ্গিক গল্প ও হাসাহাসিতে মত্ত ছিলেন। এরপর থেকেই তিনি প্রচণ্ড ব্যথায় ভুগছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা তাকে এক মাস ধরে ঘুমের ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেয়। হুমায়রা বেগম বলেন, ঘুমের ওষুধের কারণে আমি নবজাতকের যত্ন নিতে পারতাম না। ওষুধ বন্ধ করলেই আবার তীব্র ব্যথা শুরু হয়। পরে তিনি রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে চিকিৎসকরা ধারণা করেন, সিজারের সময় কোনো ত্রুটি হয়ে থাকতে পারে।
দি পপুলার হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাফি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগটি ভিত্তিহীন। রোগীকে সাময়িক সমস্যার জন্য ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল।
সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জামসেদ ফরিদী জানান, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগী পরিবার এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার দাবি করেছেন।
মতামত