সূত্রে জানা যায়, এ নিয়ে নবজাতকের স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করে হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাত প্রায় তিনটা পর্যন্ত অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরবর্তীতে কোনো উপায় না পেয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের সাথে এক লাখ বিশ হাজার টাকার বিনিময়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মিলান।
নবজাতক শিশুর পরিবারের অভিযোগ, প্রথমে তারা অন্তঃসত্ত্বা শারমিন আক্তারকে পরীক্ষার জন্য শুক্রবার বিকেলে উক্ত হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে সন্ধ্যায় পরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানতে পারেন নবজাতক শিশুটি মায়ের গর্ভেই মারা গেছেন। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের না জানিয়ে ভুক্তভোগীকে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন।
পরে রাত সাড়ে আটটার সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে নবজাতকের মৃত্যুর বিষয়টি তার পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্তের পরামর্শ দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ-সব ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন। তবে এর পূর্বে এই হাসপাতালে এমন ঘটনা ঘটেছে বলেও জানা যায়।
এ বিষয়ে জানতে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মিলান মুঠোফোনে জানান, বিষয়টি নিয়ে ভুলবোঝাবুঝি হয়েছে। তবে এমন কোন ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি। লাখ টাকার বিনিময়ে ধামাচাপার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করে জানান কারও সাথে কোন টাকা লেনদেন হয়নি।
মতামত