স্থানীয়দের অভিযোগ, রমজান একসময় শীর্ষ সন্ত্রাসী ও একাধিক হত্যা মামলার আসামি পানি আক্তার-এর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন। গত ৫ আগস্টের পর পানি আক্তার এলাকা ছেড়ে পালালে কলোনির মাদক সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় রমজানের হাতে। শুরুতে মাদক ডিলার নাহিদের সঙ্গে জোট বাঁধলেও বর্তমানে একাই পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছেন তিনি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে রমজান এখন কলোনির অঘোষিত মাদক সম্রাট। ইয়াবা থেকে শুরু করে সব ধরনের মাদক তার হাত দিয়েই ছড়িয়ে পড়ছে এলাকায়। এলাকাবাসীর দাবি, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে হলে রমজান ও তার নেপথ্যের আশ্রয়দাতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা জরুরি।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি। আমি যোগদানের পর থেকে একাধিক মামলা ও অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অপরাধী যত শক্তিশালীই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তবে মাদক নির্মূলে এলাকাবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।
আদমজী বিহারী কলোনির সাধারণ মানুষ এখন প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন, যাতে এলাকাটি মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্তি পায়।
মতামত