উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চাষের লক্ষ্যমাত্রা: ৭,৪৪৫ হেক্টর। অর্জিত লক্ষ্যমাত্রা: ৭,৮৯১ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪৪৬ হেক্টর বেশি। সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ চাষ হয়েছে উপজেলার আমলসার ইউনিয়নে।
আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই মাঠ থেকে পেঁয়াজ তোলা শুরু হবে। তবে কৃষকদের দাবি, এ বছর বীজের চড়া দামের কারণে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। ২০২৪ সালের জেলা শ্রেষ্ঠ পেঁয়াজ চাষি খান মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, প্রতি বিঘা জমিতে চাষিদের খরচ হয়েছে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত। বিঘা প্রতি ৬০ থেকে ৭০ মণ ফলনের আশা থাকলেও বর্তমান বাজারদর অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে তাদের।
কৃষকরা মনে করছেন, উৎপাদন খরচ বিবেচনা করে বাজারে পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে এই অঞ্চলের চাষিরা পেঁয়াজ চাষে আরও বেশি উৎসাহিত হবেন।
মতামত