অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সম্প্রতি ফেসবুক ও এক্সে (টুইটার) একটি ভিডিও ভাইরাল করে দাবি করা হচ্ছে যে, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিটি যুবদল নেতা শাহেদ আহমেদ। তবে বিভিন্ন ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, ভিডিওটি মূলত টঙ্গীর তুরাগ থানা এলাকায় ঘটে যাওয়া একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার। ভিডিওতে যে নারীকে দেখা যাচ্ছে, তিনি কোনো বিদেশি পর্যটক নন, বরং বাংলাদেশের একজন মডেল। ওই ঘটনার সময় ভিডিওতে থাকা প্রকৃত ব্যক্তিদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আটকও করেছিল।
এর আগে একই ভিডিও বাংলাদেশে আমেরিকান পর্যটক হেনস্তা শিরোনামে আন্তর্জাতিক কিছু অ্যাকাউন্টে প্রচার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ভারতীয় ও দেশীয় একাধিক ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান (যেমন ফ্যাক্টলি) সেটিকে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর হিসেবে প্রমাণ করে। এখন সেই একই ভিডিওর সাথে শাহেদ আহমেদের নাম জড়িয়ে নতুন করে ডিজিটাল প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নেতাকর্মীদের মতে, শাহেদ আহমেদের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিওটি এডিট করে প্রচার করা হচ্ছে। একটি প্রকৃত ঘটনার ভিডিওকে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়ে শাহেদ আহমেদ বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার বিরুদ্ধে নোংরা রাজনীতিতে মেতেছে। টঙ্গীর ঘটনার ভিডিওর সাথে আমার বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই। যারা গুজব ছড়াচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সচেতন মহল মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করা জরুরি। শাহেদ আহমেদকে নিয়ে ছড়ানো এই ভিডিওটি একটি ম্যানিপুলেটেড বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার মাত্র।
মতামত